পরিবেশ দূষণের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতি গ্রোস্ত হয় মানুষ। পরিবেশষ দূষণের ফলে বিভিন্ন রোগের লক্ষন দেখা ধেয় প্রতিনিয়ত। আর বায়ু দূষণের ফলে সৃষ্ট রোগের কথা তো বলতেই হবে। প্রতিবছর পরিবেশ তথা বায়ুদূষণের ফলে অনেক মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। দেখা যায় বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধ দের ঝুঁকি বেশি থাকে কিন্তু পাশাপাশি অন্য শ্রেণির মানুষও কম আক্রন্ত হয়।
পরিবেশ দূষণের জন্য বিভিন্ন বিষয়কে দ্বায়ি করা হয়। যার মধ্যে কলকারখা, যানবাহন, বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনাসহ বিভিন্ন বিষয়কে। এবার দেখা গেলো চীনের চিত্র।
নাসার স্যাটেলাইট চত্রি দেখা যাচ্ছে নাটকীভাবে কমে এসেছে পরিবেশ দূষণের মাত্র। পরিবেশ দূষণের এই মাত্রা কমে আসার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এসময়ে চীনে করোনাভাইরাসের আক্রমণকে।
করোনাভাইরাসের করণে চীনে এসময়ে বন্ধ রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের কলকারখানারগুলোর কার্যক্রম। আর এ কারণেই কমে এসেছে পরিবেশ দূষণ।
আন্তর্জাতিক পরিবেশের আরো খবর পড়তে এখানে ক্লিক করুন
মার্কিন মাহাকাশ সংস্থা নাসার পাঠানো মানচিত্রে দেখানো হয়েছে যে, চলতি বছরে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা কি পরিমাণে কমে এসেছে। অর্থনীতির গতি কমে আসার সাথে সাথেই দেখা দিয়েছে এমন চিত্র। দেখা যাচ্ছে করোনা শুধু অর্থনীতির গতিকে কমি আনেনি একই সাখে পরিবেশ দূষণকেও কমিয়ে এনেছে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিলো চীনের কারখানাগুলোর সকল কার্যক্রম আর এরই পরে উঠে আসে এমন চিত্র।
এছাড়াও নাসার বিজ্ঞানিরা বলছেন, স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি এই নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইডের গ্যাস প্রকৃতপক্ষে মোটারযান ও শিল্প কারখানা থেকে নির্গত হয়। এই গ্যাস কমে আসার চিত্র প্রথমে দেখা দেয় চীনের উহানে কিন্তু বরে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ চীনেই এই চিত্র ফুটে ওঠে।

নাসা ১৯ সালের প্রথম ২ মাসের সাথে তুলে ধরে ২০ সালের প্রথম ২ মাসের তুলনামূলক চিত্র। নাসা লক্ষ্য করেছে যে, চীনের এই বায়ু দুষণের মাত্রা কমে আসার ব্যপারটা সেখানকার পরিবহর চলাচল আর ব্যবসায়িক কর্মকান্ডের নিষেধাজ্ঞার সাথে মিলে যাচ্ছে।
কোন বিশেষ ঘটনার কারণে প্রথমবারের মতো দেখা যাচ্ছে এমন চিত্র যা এর আগে কখনো ঘটেনি। কারণ ২০১৮ সালে অর্থনৈতিক মন্দার সময়ও নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড পরিমাণ কমে আসার চিত্র ধরা পড়ে কিন্তু এমন ভাবে দ্রুত গতিতে কমে আসেনি – এসময় কথা বলেন, ফেই লিউ যিনি হচ্ছেন নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বাতাসের মান নিয়ে কাজ করে থাকেন।