সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর এখন কেবল পর্যটন কেন্দ্র নয়, এটি একটি ‘সেলফ-সাসটেইনিং ইকো-সিস্টেম’। ২০২৬ সালে এখানে চালু হয়েছে বিশ্বের অন্যতম সফল ‘ইকো-টোকেন’ ব্যবস্থা। পর্যটকরা এখানে প্রবেশের সময় যে প্রবেশমূল্য দেন, তা ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি হাওর রক্ষণাবেক্ষণ তহবিলে জমা হয়।
পর্যটকদের অংশগ্রহণ: এখানে পর্যটকরা যদি কোনো প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট বুথে জমা দেয়, তবে তারা ‘ইকো-টোকেন’ পায়। এই টোকেন ব্যবহার করে তারা স্থানীয় রিসোর্ট বা নৌকায় ডিসকাউন্ট পেতে পারে। ২০২৫ সালে এই পদ্ধতি চালুর পর টাঙ্গুয়ার হাওর এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন জলাভূমি।
জীববৈচিত্র্য ও কর্মসংস্থান: এই তহবিল থেকে হাওর সংলগ্ন গ্রামবাসীদের ‘হাওর গার্ড’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে মাছ চুরি ও পাখি শিকার বন্ধ হয়েছে। ২০২৬ সালের শীত মৌসুমে রেকর্ড সংখ্যক বিদেশী পরিযায়ী পাখি টাঙ্গুয়ার হাওরে এসেছে। স্থানীয় মানুষ এখন বুঝতে পেরেছে যে হাওর বাঁচলে তাদের পর্যটন ব্যবসা ও জীবন—সবই বাঁচবে।
