আজ থেকে কার্যকর ‘হাই সিজ ট্রিটি’: মহাসাগরের দুই-তৃতীয়াংশ এখন আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখটি মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক স্বর্ণাক্ষরে লেখা দিন হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ দুই দশকের আলোচনা ও দরকষাকষির পর আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলো ‘হাই সিজ ট্রিটি’ (High Seas Treaty) বা ‘বিবিএনজে’ (BBNJ) চুক্তি। এর ফলে বিশ্বের মহাসাগরগুলোর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা, যা কোনো দেশের সীমানার মধ্যে পড়ে......
হাইড্রোজেন সুপারহাইওয়ে: নতুন এনার্জি ‘সিল্ক রোড’
জীবাশ্ম জ্বালানির পাইপলাইনের দিন ফুরিয়ে আসছে। ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে নতুন এক অবকাঠামো গড়ে উঠছে—হাইড্রোজেন সুপারহাইওয়ে (Hydrogen Superhighway)। উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই বিশাল নেটওয়ার্কটি আসলে গ্রিন হাইড্রোজেন পরিবহনের জন্য তৈরি। গ্রিন হাইড্রোজেন হলো এমন এক জ্বালানি যা জল থেকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তৈরি হয়......
‘রাইট টু রিপেয়ার’ এবং মডুলার ইলেকট্রনিক্স: ই-বর্জ্যের সমাপ্তি
আপনার ফোনটি কি একটু পুরনো হতেই ধীর হয়ে যাচ্ছে বা ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর পুরো ফোনটি বদলে ফেলতে হচ্ছে? ২০২৬ সালে এই সমস্যাটি এখন ইতিহাস। বিশ্বজুড়ে ‘রাইট টু রিপেয়ার’ (Right to Repair) আন্দোলন এক বিশাল বিজয়ের মুখ দেখেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর এখন এশিয়াতেও নতুন আইন পাস......
ইন্টারনেট অফ ট্রিস : বনাঞ্চল রক্ষায় এআই এবং বায়ো-সেন্সর
বন উজাড় এবং দাবানল রুখতে ২০২৬ সালে বনকর্মীরা এখন আর কেবল লাঠি বা ড্রোন নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন না। তারা এখন ব্যবহার করছেন ‘ইন্টারনেট অফ ট্রিস’ (Internet of Trees)। আমাজন থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়ার রেইনফরেস্ট—হাজার হাজার গাছের গায়ে লাগানো হয়েছে অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং বায়ো-ডিগ্রেডেবল (পচনশীল) সেন্সর। এই সেন্সরগুলো গাছের ‘ভাষা’ বোঝে।......
গ্রাফিন ফিল্টার: সমুদ্রের জল যখন ঘরে ঘরে পানীয় জল
জলসংকট যখন বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে হাহাকার সৃষ্টি করেছে, তখন ২০২৬ সালে আশার আলো নিয়ে এসেছে ন্যানো-টেকনোলজি। দীর্ঘ গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা এমন এক গ্রাফিন-ভিত্তিক ফিল্টার (Graphene Filter) তৈরি করেছেন, যা সমুদ্রের লবণাক্ত জলকে অবিশ্বাস্য কম খরচে পানীয় জলে রূপান্তর করতে পারে। এই ব্রেকথ্রু প্রযুক্তিটি ২০২৬ সালে আফ্রিকার খরা-পীড়িত দেশগুলো এবং মধ্যপ্রাচ্যের......
পরিবেশ সুরক্ষায় নতুন উদ্ভাবন: প্লাস্টিক খেকো ব্যাকটেরিয়া এবং বায়ো-রিঅ্যাক্টর
প্লাস্টিক দূষণের চিরস্থায়ী সমাধান? ২০২৬-এ বায়ো-এনজাইম এবং BAETA উপাদানের সফল ব্যবহার প্লাস্টিক দূষণ আধুনিক বিশ্বের এক অবিচ্ছেদ্য অভিশাপ। কিন্তু ২০২৬ সালে বিজ্ঞানীদের একটি উদ্ভাবন এই অভিশাপ থেকে মুক্তির আশা দেখাচ্ছে। কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নবিদরা পুরনো প্লাস্টিক বোতল থেকে ‘BAETA’ নামক একটি নতুন উপাদান তৈরি করেছেন, যা সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড......
সলিড-স্টেট ব্যাটারি ব্রেকথ্রু: বৈদ্যুতিক যানবাহনের নতুন যুগের সূচনা
পরিবেশ রক্ষায় পরিবহন খাতের কার্বন নিঃসরণ কমানো সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ২০২৬ সালের শুরুতে ব্যাটারি প্রযুক্তিতে এমন এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে যা ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) বা বৈদ্যুতিক যানবাহনের চিত্র চিরতরে বদলে দিচ্ছে। জাপানের টয়োটা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং এসডিআই যৌথভাবে ঘোষণা করেছে যে, তারা সফলভাবে ‘সলিড-স্টেট ব্যাটারি’ (Solid-State Battery) বাণিজ্যিক উৎপাদন......
‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’ ২০২৬: মরুভূমি রুখতে আফ্রিকার ঐতিহাসিক সাফল্য
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে যখন বিশ্বের অনেক জায়গায় মরুভূমিকরণ (Desertification) বাড়ছে, তখন আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে এক অভূতপূর্ব নীরব বিপ্লব সফল হতে চলেছে। আফ্রিকার ২০টিরও বেশি দেশ মিলে যে ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’ (Great Green Wall) গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিল, ২০২৬ সালের শুরুতে তার দৃশ্যমান এবং ইতিবাচক প্রভাব সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই......
২০২৬ সালে শহরগুলো যখন কার্বন সিঙ্ক
রেজেনারেটিভ আরবানবাদ: শহর মানেই ধোঁয়া, ধুলো আর ইট-কাঠের জঙ্গল—এই ধারণা ২০২৬ সালে দ্রুত বদলে যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে বড় বড় মেগাসিটিগুলো এখন ‘রেজেনারেটিভ আরবানবাদ’ (Regenerative Urbanism) বা পুনর্জন্মমূলক নগর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এই ধারণার মূল লক্ষ্য হলো শহরগুলো কেবল দূষণ ছড়াবে না, বরং তারা প্রকৃতির মতো কার্বন শোষণ করবে এবং নিজস্ব সম্পদ......
২০২৬ বিশ্বকাপ এবং ‘জিরো-কার্বন স্টেডিয়াম’: ক্রীড়া জগতের সবুজ বিপ্লব
২০২৬ বিশ্বকাপ এবং ‘জিরো-কার্বন স্টেডিয়াম’: ক্রীড়া জগতের সবুজ বিপ্লব ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ কেবল মাঠের লড়াইয়ের জন্য নয়, বরং পরিবেশ রক্ষার এক বিশাল বার্তা নিয়ে আসছে। উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরটিকে বলা হচ্ছে ইতিহাসের প্রথম ‘কার্বন নিউট্রাল ওয়ার্ল্ড কাপ’। ফিফা এবং আয়োজক দেশগুলো (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো) দাবি......
