মঙ্গল গ্রহে প্রথম ‘বায়ো-ডোম’: মানব সভ্যতার দ্বিতীয় ঠিকানার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
২০২৬ সালের মার্চ মাসটি মানব ইতিহাসের ক্যালেন্ডারে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। নাসা (NASA) এবং স্পেসএক্স (SpaceX)-এর যৌথ প্রচেষ্টায় মঙ্গল গ্রহের ‘এরিডানিয়া বেসিন’ এলাকায় প্রথম বাণিজ্যিক ‘বায়ো-ডোম’ বা কৃত্রিম বায়ুমণ্ডলীয় আবাসস্থল সফলভাবে সক্রিয় করা হয়েছে। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে মঙ্গল এখন আর কেবল লাল ধূলিকণার কোনো মৃত গ্রহ নয়, বরং এটি......
বুড়িগঙ্গার পুনর্জন্ম: ‘ফ্লোটিং ইন্টারসেপ্টর’ এবং প্লাস্টিক মুক্ত নদী
২০২৬ সালের ১৮ মার্চ। বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেলে দাঁড়িয়ে তাকালে এক সময়কার আলকাতরার মতো কালো জল এখন অনেকটাই স্বচ্ছ। দুর্গন্ধের পরিবর্তে নদীর পাড়ে এখন বিশুদ্ধ বাতাসের ছোঁয়া। নেদারল্যান্ডস এবং বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের যৌথ প্রচেষ্টায় বুড়িগঙ্গায় বসানো হয়েছে ‘ফ্লোটিং ইন্টারসেপ্টর’ বা ভাসমান বর্জ্য সংগ্রাহক, যা নদীকে প্লাস্টিক মুক্ত করার লড়াইয়ে জয়ী করেছে। প্রযুক্তি......
হাতি করিডোর ও স্মার্ট সেন্সর: বন্যপ্রাণী রক্ষায় চট্টগ্রামের পাহাড়ে প্রযুক্তির ব্যবহার
বাংলাদেশি বন্য হাতির অস্তিত্ব যখন সংকটের মুখে ছিল, তখন ২০২৬ সালে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বনাঞ্চলে শুরু হয়েছে এক অভাবনীয় প্রযুক্তিগত পাহারা। ‘হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব’ কমাতে এবং হাতির অবাধ চলাফেরা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ চালু করেছে ‘স্মার্ট হাতি করিডোর’। যেখানে এআই (AI) চালিত ক্যামেরা এবং থার্মাল সেন্সর হাতির গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষা......
‘প্লাস্টিক-ইটিং এনজাইম’ ও প্রশান্ত মহাসাগরের পুনর্জন্ম: প্লাস্টিক মুক্ত নীল পৃথিবী
বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় অভিশাপ ছিল প্লাস্টিক দূষণ। কিন্তু ২০২৬ সালের মার্চ মাসে প্রশান্ত মহাসাগরের ‘গ্রেট প্যাসিফিক গার্বেজ প্যাচ’ এলাকায় দেখা যাচ্ছে এক জাদুকরী পরিবর্তন। জাপানি এবং জার্মান বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত একটি শক্তিশালী ‘সুপার-এনজাইম’ (PETase 2.0) সমুদ্রের প্লাস্টিককে কয়েক দিনের মধ্যে পুরোপুরি খেয়ে ফেলে সেগুলোকে প্রাকৃতিক লবণে পরিণত করছে। ২০২৬ সালে......
নামিবিয়ার গ্রিন হাইড্রোজেন প্রকল্প: মরুভূমি যখন বিশ্বের জ্বালানি ভাণ্ডার
আফ্রিকার নামিবিয়া এক সময় কেবল মরুভূমির দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে এসে দেশটি বিশ্বের ‘গ্রিন হাইড্রোজেন’ রাজধানী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ১০ বিলিয়ন ডলারের ‘হাইফেন’ (Hyphen) প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সফলভাবে শুরু হয়েছে, যা দক্ষিণ আফ্রিকার ভূ-রাজনীতি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি মানচিত্র বদলে দিচ্ছে। নামিবিয়ার উপকূলে বসানো......
সুন্দরবনের ‘ডিজিটাল শিল্ড’: ড্রোন ও এআই যখন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভের পাহারাদার
২০২৬ সালের মার্চ মাস। সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে এখন আর কেবল বাঘের গর্জন বা হরিণের পায়ের শব্দ শোনা যায় না, বরং বনের নিস্তব্ধতা ভেঙে মাঝে মাঝেই শোনা যায় ড্রোনের গুঞ্জন। বন বিভাগ এবং দেশীয় প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে তৈরি ‘স্মার্ট প্যাট্রোলিং ২.০’ প্রকল্পের আওতায় সুন্দরবন এখন বিশ্বের প্রথম ‘ডিজিটাল প্রোটেক্টেড ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট’। এটি......
আফ্রিকার ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’: ২৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ ও বাস্তুসংস্থান পুনরুদ্ধারের মহাকাব্য
সাহারা মরুভূমির দক্ষিণ প্রান্ত বা সাহেল অঞ্চলে ২০২৬ সালে এক অভাবনীয় সবুজ বিপ্লব দৃশ্যমান হচ্ছে। আফ্রিকার ১১টি দেশের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৮০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’ (Great Green Wall) প্রজেক্টটি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার ২৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে পূরণ করেছে। এটি কেবল গাছের একটি দেয়াল নয়, বরং এটি জলবায়ু পরিবর্তনের......
কক্সবাজারের ‘নীল বিপ্লব’: সিউইড চাষ যখন বাংলাদেশের নতুন কার্বন সিঙ্ক ও বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি
২০২৬ সালের মার্চ মাস। কক্সবাজারের নীল জলরাশিতে এখন কেবল ঢেউয়ের খেলা নয়, বরং পানির নিচে দোল খাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির নতুন এক সম্ভাবনা—‘সিউইড’ বা সামুদ্রিক শৈবাল।\ সরকারের ‘ব্লু ইকোনমি ২০২৬’ প্রকল্পের আওতায় ইনানি থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার উপকূলে বাণিজ্যিকভাবে শৈবাল চাষের এক মহাবিপ্লব ঘটে গেছে। এটি কেবল খাদ্য বা......
পেরোভস্কাইট সোলার সেল: সৌরশক্তির ‘সিলিকন যুগ’ অবসানের মহাবিপ্লব
সৌরশক্তির জগতে দীর্ঘ চার দশকের একঘেয়েমি ভেঙে ২০২৬ সালে এক অভাবনীয় বিপ্লব ঘটেছে। এতদিন আমরা যে নীল রঙের সিলিকন প্যানেলগুলো দেখে অভ্যস্ত ছিলাম, সেগুলোর উৎপাদন সক্ষমতার একটি নির্দিষ্ট সীমা (Efficiency Limit) ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জার্মানি এবং চীনের গবেষকরা যৌথভাবে ‘পেরোভস্কাইট-সিলিকন ট্যানডেম সেল’ (Perovskite-Silicon Tandem Cells) বাণিজ্যিকভাবে বাজারে এনেছে,......
নিউক্লিয়ার ফিউশন—নক্ষত্রের শক্তি যখন মানুষের হাতের মুঠোয়
২০২৬ সালের মাঝামাঝি। ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত আন্তর্জাতিক থার্মোনিউক্লিয়ার এক্সপেরিমেন্টাল রিঅ্যাক্টর (ITER) থেকে আসা একটি বার্তা সারা বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছে। প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীরা ‘নেট এনার্জি গেইন’ বজায় রেখে টানা এক ঘণ্টার বেশি ফিউশন রিঅ্যাকশন চালু রাখতে সক্ষম হয়েছেন। নিউক্লিয়ার ফিশন (যা বর্তমানে আমাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে চলে) পরমাণু ভেঙে শক্তি......
