আগামী নভেম্বরে তুরস্কের আন্তালিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন ‘সিওপি৩১’ (COP31)-কে লক্ষ্য রেখে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিতের জোর তাগিদ দিয়েছে সবুজ নাগরিক আন্দোলন ‘গ্রিন ভয়েসেস’।
২৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনটি জলবায়ু তহবিলের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে ‘ন্যায্য ক্ষতিপূরণ’ আদায়ে সরকারকে কঠোর কূটনৈতিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানায়।
দাবিনামা ও কৌশলগত ফ্রেমওয়ার্ক: সংবাদ সম্মেলনে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দরকষাকষির জন্য একটি সমন্বিত রূপরেখা পেশ করেন:
-
ঋণ নয়, সরাসরি অনুদান রূপরেখা: উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে সুদের ওপর ঋণ নিয়ে প্রজেক্ট করার নীতি বাদ দিয়ে সরাসরি ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ (Loss and Damage) তহবিল থেকে সহজ শর্তের অনুদান নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানানো হয়।
-
তৃণমূল অভিযোজন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা: জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP) বাস্তবায়নে কেবল মেগা অবকাঠামো কেন্দ্রিক না হয়ে উপকূলীয়, খরাপ্রবণ ও হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সরাসরি ক্ষমতায়ন ও প্রকল্প পর্যবেক্ষণে স্থানীয় নাগরিক সমাজকে যুক্ত করার দাবি তোলা হয়।
উপসংহার ও গ্রিনপেজ দৃষ্টিভঙ্গি: জলবায়ু কূটনীতিতে সাফল্য পেতে হলে কেবল সরকারি প্রতিনিধিদের ওপর নির্ভর না করে নাগরিক সমাজের পরামর্শকে সম্পৃক্ত করা জরুরি।
গ্রিনপেজ মনে করে, সিওপি৩১ সম্মেলনের মূল মঞ্চে ক্ষতিপূরণের নায্য অধিকার আদায়ের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ জলবায়ু বাজেটের সর্বোচ্চ সুশাসন নিশ্চিত করা দেশের টেকসই উন্নয়নের প্রথম শর্ত।
