প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে থাকা কোটি কোটি টন নিকেল, কোবাল্ট এবং ম্যাঙ্গানিজ পিণ্ড উত্তোলনের অনুমতি নিয়ে ২০২৬ সালে বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একে বলা হচ্ছে ‘ব্লু ফ্রন্টিয়ার ওয়ার’।
পরিবেশবাদী বনাম শিল্পোদ্যোক্তা: একদিকে চীন ও নরওয়ের মতো দেশগুলো ব্যাটারি উৎপাদনের জন্য এই খনিজ উত্তোলনে মরিয়া। অন্যদিকে ২৫টি দেশ এবং কয়েক হাজার বিজ্ঞানী একটি আন্তর্জাতিক স্থগিতাদেশ (Moratorium) দাবি করছেন। তাদের মতে, গভীর সমুদ্রের তলদেশ খনন করলে এমন সব অণুজীব ও বাস্তুসংস্থান ধ্বংস হবে যা আগে কখনও দেখাই যায়নি।
২০২৬-এর স্থবিরতা: ইন্টারন্যাশনাল সি-বেড অথরিটি (ISA) ২০২৬ সালের এই সংকটে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। তবে কিছু কোম্পানি স্বায়ত্তশাসিত রোবট ব্যবহার করে পরীক্ষামূলক খনন শুরু করায় সমুদ্রের বাস্তুসংস্থান হুমকির মুখে পড়েছে।
