২০২৬ সালে এসে বিজ্ঞান আর কল্পবিজ্ঞান এক হয়ে গেছে। টেক্সাসের ‘কলোসাল বায়োসায়েন্সেস’ দাবি করেছে তারা ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা ‘উলি ম্যামথ’-এর ভ্রূণ সফলভাবে একটি আফ্রিকান হাতির গর্ভে স্থাপন করেছে। ২০২৭ সালের শুরুতে প্রথম ম্যামথ শাবকের জন্মের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তদন্ত ও বিতর্ক: এই ফিচারে আমরা বিশ্লেষণ করেছি ‘ডি-এক্সটিংকশন’ বা বিলুপ্ত প্রাণী ফিরিয়ে আনার পরিবেশগত প্রভাব। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ম্যামথ যদি তুন্দ্রা অঞ্চলে ফিরে আসে, তবে তারা মাটির তলার হিমায়িত কার্বন (Permafrost) নির্গত হওয়া রোধ করতে পারবে। তবে পরিবেশবাদীদের প্রশ্ন—আমরা কি প্রকৃতির ওপর ঈশ্বরের ভূমিকা পালন করছি?
এই প্রতিবেদনে আমরা ২০২৬ সালের সেই বিতর্কিত ‘জেনেটিক রিস্টোরেশন’ নীতি নিয়ে আলোচনা করেছি, যেখানে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—বিলুপ্ত প্রাণী ফিরিয়ে আনা কি বাস্তুসংস্থান রক্ষা করবে নাকি নতুন কোনো মহামারীর জন্ম দেবে?
