২০০২ সালে পলিথিন নিষিদ্ধ হলেও গত দুই দশকে এর ব্যবহার কমানো যায়নি, বরং বেড়েছে। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই পলিথিনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।
অক্টোবর থেকে দেশের সব সুপারশপ এবং পরবর্তীতে কাঁচাবাজারে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে এক কঠোর ও সফল অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, যা জনমনে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
পদক্ষেপ ও বিকল্পের ব্যবহার:
- কঠোর মনিটরিং: পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিদিন বাজারগুলোতে অভিযান চালাচ্ছে। পলিথিন পেলেই বিক্রেতা ও উৎপাদকদের ভারী জরিমানা করা হচ্ছে।
- বিকল্প পাটের ব্যাগ: পলিথিনের বিকল্প হিসেবে সুপারশপগুলোতে পাট, কাপড় ও কাগজের ব্যাগ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনকে (BJMC) পাটের ব্যাগের উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।
পলিথিনের বিরুদ্ধে নতুন সরকারের এই শক্ত অবস্থান দেশের ড্রেন, খাল এবং নদীগুলোকে প্লাস্টিক দূষণের হাত থেকে রক্ষা করবে। নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই উদ্যোগকে সফলতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
