25 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাত ১:২৯ | ৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
গ্রাফিন-সীব ডেসালিনেশন,সমুদ্রের নোনা জল যখন সুপেয় জলের বৈশ্বিক সমাধান,গ্রাফিন সীব ডেসালিনেশন,সমুদ্রের নোনা জল , সুপেয় জলের বৈশ্বিক সমাধান
আন্তর্জাতিক পরিবেশ পরিবেশ বিজ্ঞান পরিবেশগত অর্থনীতি

গ্রাফিন-সীব ডেসালিনেশন: সমুদ্রের নোনা জল যখন সুপেয় জলের বৈশ্বিক সমাধান

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি। বিশ্বজুড়ে সুপেয় জলের হাহাকার যখন এক নতুন ‘জল-যুদ্ধের’ (Water War) আশঙ্কা তৈরি করেছিল, ঠিক তখনই বিজ্ঞানের এক জাদুকরী উদ্ভাবন সেই শঙ্কাকে স্বস্তিতে বদলে দিয়েছে।

সৌদি আরব, ইসরায়েল এবং ভারতের গুজরাট উপকূলে ২০২৬ সালে পুরোদমে চালু হয়েছে ‘গ্রাফিন-সীব’ (Graphene-Sieve) প্রযুক্তির ডেসালিনেশন প্ল্যান্ট।

এটি প্রচলিত ‘রিভার্স অসমোসিস’ (RO) পদ্ধতির চেয়ে ৮০ শতাংশ কম শক্তি ব্যয় করে এবং সবচেয়ে বড় আশার কথা হলো—এটি সমুদ্রের বাস্তুসংস্থান নষ্ট না করেই কোটি কোটি মানুষের জলের তৃষ্ণা মেটাচ্ছে।

বিগত পাঁচ বছরে বিশ্বের ভূগর্ভস্থ জলের স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নেমে গিয়েছিল। ২০২৫ সালে মেক্সিকো সিটি এবং চেন্নাইয়ের মতো মেগাসিটিগুলো ‘ডে জিরো’ বা জলশূন্যতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল।

প্রচলিত ডেসালিনেশন পদ্ধতি ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং এতে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ লাগত। কিন্তু ২০২৬ সালে গ্রাফিন নামক কার্বনের একটি অতি-পাতলা স্তর ব্যবহার করে তৈরি এই ছাঁকুনি বা সীব (Sieve) জাদুকরী পরিবর্তন এনেছে।

গ্রাফিন স্তরের ছিদ্রগুলো এতই সূক্ষ্ম যে, সেগুলো জলের অণুকে যেতে দিলেও নুনের আয়নগুলোকে আটকে দেয়। এর ফলে অত্যন্ত কম চাপে এবং নামমাত্র খরচে সমুদ্রের জল সুপেয় হয়ে উঠছে।

টক্সিক ব্রাইন এবং খনিজ আহরণ (Brine Mining): পুরানো ডেসালিনেশন পদ্ধতির সবচেয়ে বড় অভিশাপ ছিল ‘টক্সিক ব্রাইন’ বা অতিরিক্ত লোনা বর্জ্য, যা সমুদ্রে ফেলে মাছ ও কোরাল ধ্বংস করা হতো। আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের এই নতুন প্ল্যান্টগুলো আর কোনো বর্জ্য সমুদ্রে ফেলছে না।

‘সার্কুলার ডেসালিনেশন’ মডেলের মাধ্যমে এই ব্রাইন থেকে লিথিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো মূল্যবান খনিজ আহরণ করা হচ্ছে।

বিশেষ করে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারির জন্য প্রয়োজনীয় লিথিয়ামের একটি বড় অংশ এখন এই জলের বর্জ্য থেকেই আসছে। ফলে এটি এখন কেবল একটি জল শোধনাগার নয়, বরং একটি লাভজনক খনি শিল্পে পরিণত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ২০২৬ সালে ঘোষণা করেছে যে, তাদের ভূগর্ভস্থ জল উত্তোলন সম্পূর্ণ বন্ধ করে তারা এখন শতভাগ সমুদ্রের জলের ওপর নির্ভর করছে।

ভারতের মতো জনবহুল দেশে এই প্রযুক্তি উপকূলীয় শহরগুলোর জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। ২০২৬ সালের এই সাফল্য প্রমাণ করছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সুপেয় জলের সংকট পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব।

“Green Page” কে সহযোগিতার আহ্বান

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত