২০২৬ সালে চীন বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছে যে মেগাসিটিগুলো বিষাক্ত ধোঁয়ার শহর না হয়েও সবুজের অরণ্য হতে পারে। চেংডু শহরে নির্মিত ‘ভার্টিক্যাল ফরেস্ট সিটি’ প্রকল্পটি এখন সফলভাবে তার তৃতীয় বছর পার করছে।
২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে দেখা যাচ্ছে, এই শহরের ভবনগুলোর দেওয়াল এবং বারান্দা থেকে ঝুলছে প্রায় ৮০ লাখ গাছ, যা শহরটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ‘কার্বন সিঙ্ক’-এ পরিণত করেছে।
বায়ুর মান ও তাপমাত্রার পরিবর্তন আমাদের অনুসন্ধানে একটি চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৬ সালে চেংডু শহরের গড় তাপমাত্রা আশেপাশের অন্য শহরের তুলনায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।
এখানকার ভবনগুলো বছরে প্রায় ৩০ টন কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করছে এবং প্রতিদিন ৬০ কেজি অক্সিজেন উৎপাদন করছে। এর ফলে ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এই শহরে ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
প্রযুক্তির ব্যবহার: ২০২৬ সালে এই বনের পরিচর্যা করা হয় এআই চালিত ড্রোন এবং রোবটিক মালিদের মাধ্যমে। প্রতিটি গাছের গোড়ায় সেন্সর বসানো আছে যা জলের প্রয়োজন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্রিপ ইরিগেশন চালু করে দেয়। রাজউকসহ বিশ্বের অনেক নগর কর্তৃপক্ষ এখন এই ‘চেংডু মডেল’ দেখার জন্য চীন ভ্রমণ করছেন।
সামাজিক প্রভাব: এই শহরগুলোতে বসবাসকারী মানুষরা জানিয়েছেন যে, সবুজের মাঝে থাকার ফলে তাদের মানসিক স্ট্রেস বা চাপ অনেক কমে গেছে। ২০২৬ সালে এই মডেলটি এখন নিউইয়র্ক এবং লন্ডনেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। এটিই হতে যাচ্ছে ভবিষ্যতের আদর্শ শহর।
