২০২৬ সালের এপ্রিলে দক্ষিণ ফ্রান্সে বিশ্বের বৃহত্তম ফিউশন রিঅ্যাক্টর ‘আইটিইআর’ (ITER) তাদের ৩য় পাবলিক-প্রাইভেট ফিউশন ওয়ার্কশপ আয়োজন করতে যাচ্ছে।

গত জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ড আবার এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার পর, ২০২৬ সালকে বলা হচ্ছে ‘ফিউশন এনার্জি’ বা দূষণমুক্ত অফুরন্ত শক্তির বছর। এটি এমন এক প্রযুক্তি যা সূর্যের ভেতরে যেভাবে শক্তি উৎপন্ন হয়, ঠিক সেই পদ্ধতি পৃথিবীতে অনুকরণ করবে।
কেন এটি গেম চেঞ্জার? নিউক্লিয়ার ফিউশনে কোনো তেজস্ক্রিয় বর্জ্য তৈরি হয় না এবং এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নেই বললেই চলে। আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৬ সালে এই প্রজেক্টের ভ্যাকুয়াম ভেসেল মেরামতের কাজ শেষ হয়েছে এবং তারা এখন ‘ফার্স্ট প্লাজমা’ পরীক্ষার দিকে এগোচ্ছে।
যদি এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিক সাফল্য পায়, তবে ২০৫০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং পরিবেশবান্ধব।
আন্তর্জাতিক গুরুত্ব: চীন, ভারত, আমেরিকা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই প্রজেক্টে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
২০২৬ সালের এই ওয়ার্কশপে প্রথমবারের মতো বেসরকারি কোম্পানিগুলোকেও এই প্রযুক্তিতে যুক্ত করা হচ্ছে, যা ফিউশন এনার্জিকে ল্যাবরেটরি থেকে সরাসরি গ্রিডে নিয়ে আসার পথ প্রশস্ত করছে।
