বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রের পানি অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ায় বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার ‘গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ’ ভয়াবহ ব্লীচিংয়ের (সাদা হয়ে যাওয়া) শিকার।
এই ধ্বংসোন্মুখ সামুদ্রিক ইকোসিস্টেমকে পুনরুজ্জীবিত করতে বিজ্ঞানীরা ল্যাবরেটরিতে জিনগতভাবে পরিবর্তিত ‘সুপার-কোরাল’ (Super-Coral) বা তাপ-সহনশীল প্রবাল তৈরি করেছেন, যা সমুদ্রে সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে (New Life/Research)।
গবেষণা ও নতুন প্রাণের সঞ্চার: সাধারণ প্রবাল পানির সামান্য তাপমাত্রা বৃদ্ধিতেই মারা যায়।
- ল্যাবরেটরির বিবর্তন: বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন প্রজাতির প্রবালের মধ্যে ক্রস-ব্রিডিং করিয়ে এবং সিমবায়োটিক শৈবালের জিন পরিবর্তন করে এমন প্রবাল তৈরি করেছেন, যা উচ্চ তাপমাত্রাতেও বেঁচে থাকতে ও প্রজনন করতে সক্ষম।
- সফল প্রতিস্থাপন: ল্যাবে বড় হওয়া এই সুপার-কোরালগুলো সম্প্রতি সাগরের ধ্বংসপ্রাপ্ত অঞ্চলে বসানো হয়েছে এবং এগুলো প্রাকৃতিক প্রবালের চেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে নতুন ইকোসিস্টেম তৈরি করছে।
সুপার-কোরাল প্রযুক্তি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার এক অসাধারণ বৈজ্ঞানিক মাইলফলক। তবে সাগরের তাপমাত্রা কমানোর জন্য কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের বৈশ্বিক প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই।
