17 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাত ৪:৩৭ | ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
সার্কুলার ইকোনমি এবং কার্বন ক্যাপচার ইউটিলাইজেশন (CCU)
পরিবেশ বিজ্ঞান পরিবেশগত অর্থনীতি

বর্জ্য থেকে সম্পদ: ২০২৬-এ ‘সার্কুলার বায়ো-ইকোনমি’ এবং কার্বন ব্যবহারের নতুন বাজার

উদ্ভাবনী অর্থনীতি: সার্কুলার ইকোনমি এবং কার্বন ক্যাপচার ইউটিলাইজেশন (CCU)

২০২৬ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতির একটি প্রধান প্রবণতা হলো ‘ফাইনান্সিয়াল রিয়েলিজম’ বা আর্থিক বাস্তবতা এবং টেকসই উন্নয়নকে একীভূত করা। বর্তমানে অনেক দেশ এবং বহুজাতিক কোম্পানি কেবল কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি (Net Zero) না দিয়ে বরং সরাসরি কার্যকর পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো কার্বন ক্যাপচার অ্যান্ড ইউটিলাইজেশন (CCU)। এতদিন কার্বন ক্যাপচারকে ব্যয়বহুল মনে করা হতো, কিন্তু ২০২৬ সালেcaptured CO₂-কে মূল্যবান পণ্যে রূপান্তর করার প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছে।

বর্তমান প্রযুক্তিতে বায়ু থেকে ধরা পড়া কার্বন ডাই-অক্সাইডকে সিনথেটিক জ্বালানি, টেকসই কংক্রিট এবং এমনকি কাপড়ের সুতো তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইউরোপের অনেক দেশ ইতিমধ্যে ভবন নির্মাণে কার্বন-শোষিত ইট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে।

এর ফলে একদিকে যেমন বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস কমছে, অন্যদিকে নির্মাণ সামগ্রীর জন্য নতুন একটি কাঁচামাল তৈরি হচ্ছে। এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হচ্ছে ‘কার্বন নেগেটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং’। ২০২৬ সালের প্রাক্কলন অনুযায়ী, এই বাজারের আকার ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

পাশাপাশি সার্কুলার বায়ো-ইকোনমি এখন মূলধারার ব্যবসায়িক মডেলে পরিণত হয়েছে। ফ্যাশন এবং টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত পোশাকের রিসাইক্লিং এখন আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

২০২৬ সালে অনেক ব্র্যান্ড ‘টেক-ব্যাক’ (Take-back) প্রোগ্রাম চালু করেছে, যেখানে পুরনো কাপড় ফেরত দিলে গ্রাহকদের পুরস্কৃত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত রাসায়নিকগুলোও জৈব-ভিত্তিক (bio-based) হওয়ায় পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে না।

বিনিয়োগকারীরা এখন ‘সবুজ বিনিয়োগ’ বা ESG (Environmental, Social, and Governance) স্কোর দেখে ফান্ড বরাদ্দ দিচ্ছে। ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে ‘ব্লু বন্ড’ (Blue Bond) এবং ‘নেচার-বেসড সলিউশন’ (NbS) ফান্ডে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি প্রকৃতিকে ধ্বংস না করে এর উপাদানগুলোকে পুনরায় ব্যবহার করার এই অর্থনৈতিক মডেলটি সফল হয়, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক দারিদ্র্য এবং পরিবেশ দূষণ উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব হবে। উদ্ভাবনী এই অর্থনীতিই হবে ২১ শতকের টেকসই প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি।

“Green Page” কে সহযোগিতার আহ্বান

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত