২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিল বিমান চলাচলের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘এয়ারবাস’ (Airbus)। প্রথমবারের মতো একটি যাত্রীবাহী বিমান কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়াই লিকুইড হাইড্রোজেন ব্যবহার করে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়েছে। এটি ২০২৬ সালে গ্লোবাল ওয়ার্মিং কমানোর পথে এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ।
প্রযুক্তি ও জ্বালানি: এই বিশেষ বিমানে ব্যবহার করা হয়েছে ‘হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল’ এবং পরিবর্তিত টারবাইন ইঞ্জিন। এর একমাত্র নিঃসরণ হলো বিশুদ্ধ জলীয় বাষ্প।
অর্থাৎ বিমানটি যখন আকাশে উড়ছে, তখন এটি কোনো বিষাক্ত ধোঁয়া নয়, বরং জল ছড়াচ্ছে। ২০২৬ সালের এই সফল ফ্লাইট প্রমাণ করছে যে, বিমান চালনা শিল্প ২০৫০ সালের মধ্যে ‘নেট জিরো’ কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে।
তদন্ত: খরচ ও নিরাপত্তা হাইড্রোজেন অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে বড় শঙ্কা ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের এই প্রযুক্তিতে বিশেষ ধরণের ক্রায়োজেনিক ট্যাঙ্ক ব্যবহার করা হয়েছে যা যেকোনো দুর্ঘটনা রোধে সক্ষম।
বর্তমানে হাইড্রোজেনের দাম বেশি হলেও, ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ডিজেলের চেয়ে সস্তা হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি: ইউরোপের অনেক বিমান সংস্থা ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ তাদের সব অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে হাইড্রোজেন ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে। ২০২৬ সাল আমাদের দেখাচ্ছে যে, মেঘের রাজ্যে ডানা মেলতে এখন আর পরিবেশের ক্ষতি করার প্রয়োজন নেই।
