স্পেস-বেজড মিথেন ট্র্যাকার
মিথেন গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়েও ৮০ গুণ বেশি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস। কিন্তু এতদিন এই গ্যাস কোথা থেকে লিক হচ্ছে তা খুঁজে বের করা ছিল দুরুহ।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাসা (NASA) এবং স্পেস-এক্স যৌথভাবে একগুচ্ছ ‘মিথেন ট্র্যাকার’ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে, যা রিয়েল টাইমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের গ্যাস লিক শনাক্ত করতে পারে। ২০২৬ সালের জলবায়ু তদারকিতে এটি এক বিশাল ধাপ।
এই স্যাটেলাইটগুলো হাইপার-স্পেক্ট্রাল ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে। যদি কোনো দেশের দুর্গম অঞ্চলে কোনো তেলের পাইপলাইন থেকে মিথেন লিক হয়, তবে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তা এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।
২০২৬ সালের শুরু থেকে এই নজরদারির ফলে বিশ্বব্যাপী মিথেন লিক হওয়ার পরিমাণ ১০% কমে গেছে। এটি কোম্পানিগুলোকে ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।
অর্থনৈতিকভাবে এটি দেশগুলোর জন্য এক ধরণের ‘জবাবদিহিতা’ তৈরি করেছে। যেসব দেশ মিথেন নির্গমন কমাতে পারবে না, তাদের ওপর ২০২৬ সালের নতুন আন্তর্জাতিক বিধি অনুযায়ী বড় ধরণের জরিমানা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, যারা দ্রুত লিক মেরামত করছে, তারা গ্রিন বন্ড সুবিধা পাচ্ছে। এই প্রযুক্তির ফলে ২০২৬ সালে মিথেন গ্যাস এখন আর কোনো ‘অদৃশ্য শত্রু’ নয়। মহাকাশের চোখ এখন পৃথিবীর পরিবেশ সুরক্ষায় দিনরাত পাহারা দিচ্ছে। এটি প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তির মাধ্যমেই কেবল স্বচ্ছতা আনা সম্ভব।
