২০২৬ সালে সৌর এবং বায়ু বিদ্যুতের একটি বড় সীমাবদ্ধতা—‘অনিরবচ্ছিন্নতা’ (Intermittency)—জয় করেছে ওশেন থার্মাল এনার্জি কনভারশন (OTEC) প্রযুক্তি। ইন্দোনেশিয়া এবং মরিশাস উপকূলে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক ওটিইসি পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু হয়েছে।
প্রযুক্তির গভীরে: এই প্রযুক্তিতে সমুদ্রের উপরিভাগের গরম জল এবং ১০০০ মিটার গভীরের অত্যন্ত ঠান্ডা জলের তাপমাত্রার পার্থক্য ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। সৌরবিদ্যুৎ রাতে পাওয়া যায় না, বায়ুবিদ্যুৎ বাতাস না থাকলে বন্ধ থাকে; কিন্তু সমুদ্রের তাপমাত্রার এই পার্থক্য ২৪ ঘণ্টা স্থির থাকে।
আমাদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কীভাবে এই প্ল্যান্টগুলো থেকে একই সাথে বিদ্যুৎ, পানযোগ্য জল এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ঠান্ডা জল পাওয়া যাচ্ছে। ২০২৬ সালের এই প্রযুক্তিটি বিশেষ করে দ্বীপরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য জ্বালানি স্বাধীনতার নতুন পথ খুলে দিয়েছে।
