মানুষের লালসায় ১৬৬২ সালে পৃথিবী থেকে হারিয়ে গিয়েছিল ডোডো পাখি। কিন্তু ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে মরিশাসের জঙ্গলে আবার শোনা যাচ্ছে সেই প্রাচীন ডোডোর ডাক।
বায়ো-টেকনোলজি কোম্পানি ‘কোলোসাল’ (Colossal) সফলভাবে ডোডো পাখির ডিএনএ (DNA) পুনর্গঠন করে এর প্রথম বংশধরদের প্রকৃতিতে অবমুক্ত করেছে। ২০২৬ সালে বিজ্ঞান এখন মৃত প্রাণীকেও প্রাণ দেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করেছে।
কীভাবে সম্ভব হলো এই দে-বিলুপ্তি (De-extinction)? বিজ্ঞানীরা কয়েক শতাব্দী পুরনো ডোডো হাড় থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করে সেটিকে এর নিকটাত্মীয় ‘নিকোবর কবুতরের’ জিনের সাথে সংমিশ্রণ করেছেন।
২০২৬ সালের এই প্রক্রিয়ায় সিআরআইএসপিআর (CRISPR) জিন এডিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের ডাইভিং টিম মরিশাসের একটি সংরক্ষিত দ্বীপে গিয়ে দেখেছে, ২০টি ডোডো ছানা সুস্থভাবে বেড়ে উঠছে।
পরিবেশগত গুরুত্ব: ডোডো পাখি ছিল মরিশাসের বাস্তুসংস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের বিষ্ঠার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু গাছের বীজ ছড়িয়ে পড়ত, যা ডোডো বিলুপ্ত হওয়ার পর হুমকির মুখে ছিল। ডোডোর ফিরে আসা এখন সেই বনাঞ্চলকেও পুনরুজ্জীবিত করছে।
নৈতিক বিতর্ক: মানুষ কি এখন প্রকৃতির ঈশ্বর হয়ে উঠছে? ২০২৬ সালে এই প্রশ্নটি বিশ্বজুড়ে আলোচিত। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের কারণেই যারা হারিয়ে গেছে, তাদের ফিরিয়ে আনা আমাদের দায়িত্ব। ২০২৬ সালে ডোডোর পর এখন ম্যামথ (Mammoth) এবং তিলসিন (Thylacine) ফিরিয়ে আনার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
