বিশ্বব্যাপী মাছের চাহিদা মেটাতে ২০২৬ সালে অ্যাকুয়াকালচার শিল্পে এক নতুন বিপ্লব শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কার্প জাতীয় মাছের প্রজননে ব্যবহৃত ‘কার্প পিটুইটারি গ্ল্যান্ড’ (CPG) বা হরমোনের বাজারে ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম হরমোন এখন প্রাকৃতিক হরমোনের জায়গা নিতে শুরু করেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে আন্তর্জাতিক মৎস্য সংস্থাগুলো এই প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিক স্বীকৃতি দিয়েছে।
প্রাকৃতিক বনাম কৃত্রিম আগে যেখানে মাছ থেকে পিটুইটারি গ্রন্থি সংগ্রহ করে তা প্রক্রিয়াজাত করা হতো, ২০২৬ সালে এখন ডিএনএ সিকোয়েন্সিং-এর মাধ্যমে ল্যাবেই পিউর হরমোন তৈরি হচ্ছে।
আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এর ফলে প্রজননের হার ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমেছে। এটি বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য এক বিশাল সুযোগ তৈরি করছে যারা আন্তর্জাতিক বাজারে মৎস্য হরমোন রপ্তানি করে।
