প্রশান্ত মহাসাগরের ক্ল্যারিয়ন-ক্লিপারটন জোনে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল বিশাল রোবোটিক ক্লিনার।
তাদের কাজ সমুদ্রের ৫ কিলোমিটার গভীরে থাকা ‘পলিমেটালিক নোডুলস’ সংগ্রহ করা। এই ছোট ছোট পিণ্ডগুলো নিকেল এবং কোবাল্টে ঠাসা—যা আমাদের স্মার্টফোন ও গাড়ির ব্যাটারির জন্য অপরিহার্য।
পরিবেশগত বিপর্যয়: সমুদ্রবিজ্ঞানীদের মতে, এই খনন কার্য সমুদ্রের তলদেশের এমন সব প্রাণীকে ধ্বংস করছে যারা হয়তো কয়েক মিলিয়ন বছর ধরে সেখানে ছিল।
২০২৬ সালের এই প্রতিবেদনে আমরা উন্মোচন করেছি কীভাবে প্রভাবশালী দেশগুলো আন্তর্জাতিক সমুদ্র কর্তৃপক্ষকে (ISA) প্রভাবিত করে খনন কাজ শুরুর অনুমতি নিয়েছে।
সমুদ্রের গভীরে যে পলি বা বর্জ্য তৈরি হচ্ছে, তা মাছের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করছে এবং সামুদ্রিক নীল কার্বন শোষণের ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।
২০২৬ সালে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর সাথে খনি কোম্পানিগুলোর সংঘর্ষ এখন মাঝ সমুদ্রে এক নতুন ধরনের ‘কোল্ড ওয়ার’ বা স্নায়ুযুদ্ধের জন্ম দিয়েছে। প্রকৃতি বনাম প্রযুক্তির এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কে জিতবে?
