ইলন মাস্কের কোম্পানি স্পেসএক্স ২০২৬ সালের মে মাসে তাদের অত্যাধুনিক ‘স্টারশিপ ভি-৩’ (Starship v3) উৎক্ষেপণের ঘোষণা দিয়েছে।
তবে ২০২৬ সালের ৪ এপ্রিলের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, স্পেসএক্স তাদের মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর মিশনটি ৫ থেকে ৭ বছর পিছিয়ে দিয়েছে। এখন তাদের পুরো ফোকাস নাসার ‘আর্টেমিস ৪’ লুনার মিশনে।
প্রযুক্তির গভীরে: স্টারশিপ ভি-৩-তে ব্যবহার করা হয়েছে আরও শক্তিশালী ‘র্যাপ্টর ৩’ ইঞ্জিন, যা আগের চেয়ে বেশি ওজন বহন করতে সক্ষম।
আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের এই রকেটটি কক্ষপথেই জ্বালানি রিফিল (Orbital Refueling) করার প্রযুক্তি পরীক্ষা করবে, যা মহাকাশ ভ্রমণের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।
মঙ্গলের ভবিষ্যৎ: যদিও ২০২৬ সালে মঙ্গলে মানুষ যাচ্ছে না, তবুও স্পেসএক্স ৫টি কার্গো স্টারশিপ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যা মঙ্গলের মাটিতে অবতরণের কৌশল পরীক্ষা করবে। ২০২৬ সাল মহাকাশ জয়কে এখন আর স্বপ্ন নয়, বাণিজ্যিক রুটিনে পরিণত করেছে।
