ঢাকা এখন আর কেবল দালানের শহর নয়। ২০২৬ সালে আকাশ থেকে ঢাকাকে দেখলে মনে হয় একটি বিশাল সবুজ বাগান। রাজউকের বাধ্যতামূলক ‘গ্রিন রুফ’ পলিসির পর ঢাকার প্রায় ৮০% ভবনের ছাদে এখন বাণিজ্যিকভাবে সবজি ও ফল উৎপাদন হচ্ছে। একে বলা হচ্ছে ‘আরবান ফার্মিং ২.০’।
পুষ্টি নিরাপত্তা ও মাইক্রো-ক্লাইমেট: ২০২৫ সালের তীব্র গরমের পর ঢাকার মানুষ বুঝতে পেরেছে যে এসি চালিয়ে ঘর ঠান্ডা রাখা স্থায়ী সমাধান নয়। ছাদে বাগান করার ফলে ভবনের ভেতরে তাপমাত্রা ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গেছে।
২০২৬ সালে ঢাকার প্রায় ১৫% সবজির চাহিদা মিটছে এই ছাদ-খামারগুলো থেকে। এতে পরিবহন খরচ কমছে এবং সাধারণ মানুষ বিষমুক্ত তাজা সবজি পাচ্ছে।
অর্থনৈতিক মডেল: ছাদ-কৃষি এখন আর শখের কাজ নয়, এটি একটি আয়ের উৎস। ২০২৬ সালে অনেক শিক্ষিত যুবক ‘আরবান ফার্মিং’ স্টার্টআপ শুরু করেছে। তারা বিভিন্ন ভবনের ছাদ লিজ নিয়ে সেখানে আধুনিক হাইড্রোফোনিক পদ্ধতিতে লেটুস, টমেটো এবং স্ট্রবেরি চাষ করছে।
ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশন এই সবজি বিক্রির জন্য বিশেষ ‘সবুজ বাজার’ চালু করেছে। ঢাকা এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘আরবান এগ্রিকালচারাল সিটি’ হিসেবে স্বীকৃত পাওয়ার পথে।
