২০২৬ সালে আবহাওয়া পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে জাদুকরী পরিবর্তন এনেছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিং। এখন কোনো ঘূর্ণিঝড় বা আকস্মিক বন্যার গতিপথ মিটার-বাই-মিটার নিখুঁতভাবে কয়েক দিন আগেই বলা সম্ভব হচ্ছে।
প্রাণহানি হ্রাস: গুগলের ‘গ্রাফকাস্ট-আল্ট্রা’ মডেল ২০২৫ সালের শেষে আঘাত হানা তিনটি বড় ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে এনেছে। কৃষকরা এখন এআই-এর পরামর্শে ঠিক কত মিলিমিটার বৃষ্টি হবে তা জেনে সেচ পরিচালনা করছেন। এতে কৃষিখাতে জলের অপচয় ৪০% কমেছে।
গ্রিড ম্যানেজমেন্ট: এআই প্রযুক্তি এখন সোলার ও উইন্ড পাওয়ারের উৎপাদন আগেভাগেই গণনা করতে পারে। ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ভারসাম্যপূর্ণ থাকছে এবং ব্ল্যাকআউটের ঝুঁকি নেই বললেই চলে।
