২০২৫ সালের বন্যায় হাওর অঞ্চলের গ্রামগুলো যখন বিলীন হওয়ার পথে ছিল, তখন স্থানীয়রা ‘ভাসমান বন’ বা ‘ফ্লোটিং ফরেস্ট’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রাম রক্ষা করেছে।
বাঁশ ও প্লাস্টিক ড্রামের ওপর বিশেষ পদ্ধতিতে হিজল-করচ গাছের চারা লাগিয়ে এই ভাসমান দ্বীপগুলো তৈরি করা হয়েছে।
এটি মূলত একটি ‘লিভিং ওয়েভ ব্রেকার’ হিসেবে কাজ করে, যা ঝড়ের সময় ঢেউয়ের আঘাত থেকে বাড়িঘর রক্ষা করে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেখা গেছে, এই ভাসমান বনগুলোতে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা গত দশকের তুলনায় ২০% বেড়েছে।
এটি বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের একটি ‘নেচার-বেজড সলিউশন’। কীভাবে স্থানীয় জ্ঞান আর আধুনিক বিজ্ঞান মিলে এক নতুন ইকো-সিস্টেম তৈরি করেছে, তা নিয়ে এটি একটি দীর্ঘ ফিচার হতে পারে।
