জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ২০২৬ সালকে বলা হচ্ছে ‘কার্বন রিমুভাল’-এর বছর। আইসল্যান্ডের রেইকিয়াভিকে সচল হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডিরেক্ট এয়ার ক্যাপচার (DAC) প্ল্যান্ট ‘ম্যামথ-২’। এটি কেবল একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নয়, বরং এটি এখন একটি লাভজনক শিল্পে পরিণত হয়েছে।
প্রযুক্তির গভীরতা: ম্যামথ-২ প্ল্যান্টটি বিশাল সব ফ্যানের মাধ্যমে সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টন $CO_2$ শুষে নিচ্ছে।
এই কার্বনকে মাটির গভীরে ব্যাসাল্ট পাথরের স্তরে ইনজেক্ট করা হচ্ছে, যেখানে এটি মাত্র দুই বছরের মধ্যে খনিজ পাথরে রূপান্তরিত হয়। ২০২৬ সালে এসে এই প্রযুক্তির খরচ প্রতি টনে ১৮০ ডলারে নেমে এসেছে, যা ২০২৪ সালে ছিল ৬০০ ডলার।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন এই প্রযুক্তিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। মাইক্রোসফট এবং গুগলের মতো টেক জায়ান্টরা তাদের কার্বন নিঃসরণ ‘অফসেট’ করার জন্য আইসল্যান্ডের এই প্ল্যান্ট থেকে ‘কার্বন ক্রেডিট’ কিনছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এটি একটি ট্রিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হবে।
