মানুষ যেখানে পৌঁছাতে পারে না, সেখানে পৌঁছে যাচ্ছে প্রযুক্তি। ২০২৬ সালে সুন্দরবনের দুর্গম ও নদী ভাঙন কবলিত এলাকায় বনায়ন করা হচ্ছে ‘সিড-ড্রোন’ বা বীজ বহনকারী ড্রোনের মাধ্যমে।
বন বিভাগ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যৌথভাবে এই উদ্ভাবনী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছেন।
ড্রোনের নিখুঁত রোপণ: এই ড্রোনগুলো জিপিএস ম্যাপ অনুসরণ করে মাটির ধরন বুঝে নির্দিষ্ট গভীরতায় গোলক আকৃতির বীজের কাদা (Seed Balls) নিক্ষেপ করে।
২০২৫ সালে ১০,০০০ হেক্টর এলাকায় এই ড্রোনের মাধ্যমে ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করা হয়েছিল, যার সাফল্যের হার প্রায় ৮৫%। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুন্দরবনের সেসব ন্যাড়া এলাকা এখন কচি সবুজ পাতায় ভরে গেছে।
রিয়েল-টাইম নজরদারি: এই ড্রোনগুলো কেবল বীজ রোপণ করে না, বরং গাছের বৃদ্ধি এবং বনের ভেতর কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড হচ্ছে কি না তাও মনিটর করে।
২০২৬ সালে সুন্দরবনের কার্বন শোষণের পরিমাণ ২০% বৃদ্ধি পেয়েছে এই বিশেষ বনায়ন কর্মসূচির ফলে। বিশ্বব্যাংক এই প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করেছে এবং একে ‘ফরেস্ট্রি অফ দ্য ফিউচার’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
