প্রতি বছর ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ ফ্লু-র কারণে লাখ লাখ মানুষ অসুস্থ হয়। কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বায়ো-টেক কোম্পানি ‘সেন্টিভ্যাক্স’ (Centivax) তাদের ‘ইউনিভার্সাল ফ্লু ভ্যাকসিন’-এর হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, এই ভ্যাকসিনটি ভাইরাসের এমন এক অংশে কাজ করে যা কখনোই পরিবর্তন হয় না।
তদন্ত: সাধারণ ভ্যাকসিনের চেয়ে পার্থক্য কী? বর্তমান ফ্লু ভ্যাকসিনগুলো প্রতি বছর পরিবর্তন করতে হয় কারণ ভাইরাস তার রূপ বদলে ফেলে।
কিন্তু ২০২৬ সালের এই নতুন ভ্যাকসিনটি একবার নিলেই আজীবনের জন্য সুরক্ষ পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) মনে করছে, এটি সফল হলে ২০৫০ সালের মধ্যে ৬ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।
অর্থনৈতিক প্রভাব: এই ভ্যাকসিনটি আসার ফলে গ্লোবাল হেলথকেয়ার সেক্টরে বড় ধরণের পরিবর্তন আসবে। ২০২৬ সালে এসে অনেক উন্নয়নশীল দেশ এই ভ্যাকসিনের ম্যানুফ্যাকচারিং পার্টনার হওয়ার জন্য আবেদন করছে।
