২০২৬ সালের এপ্রিল মাস। এক সময় যা ছিল কেবল সায়েন্স ফিকশন মুভির দৃশ্য, তা এখন বাস্তবের দোরগোড়ায়। স্পেসএক্স (SpaceX) এবং হিলটন (Hilton) গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রথম বাণিজ্যিক ‘স্পেস হোটেল’ তাদের প্রথম সিভিলিয়ান বা সাধারণ পর্যটক দলকে স্বাগত জানিয়েছে।
২০২৬ সালে মহাকাশ ভ্রমণ এখন আর কেবল কোটিপতিদের বিলাসিতা নয়, বরং উচ্চ-মধ্যবিত্তের জন্য এক রোমাঞ্চকর অবকাশযাপনের গন্তব্য।
কেমন এই স্পেস হোটেল? এই হোটেলটি মূলত একটি মডুলার স্পেস স্টেশন যা পৃথিবীর ৪০০ কিলোমিটার ওপরে অবস্থান করছে। আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এখানে পর্যটকরা ‘জিরো গ্র্যাভিটি’ বা ওজনহীনতায় ঘুমানোর অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন।
হোটেলের জানালা দিয়ে তারা প্রতি ৯০ মিনিটে একবার সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখতে পাচ্ছেন। ২০২৬ সালের এই প্রযুক্তিতে বিশেষ ‘আর্টিফিশিয়াল গ্র্যাভিটি জোন’ রাখা হয়েছে যেখানে পর্যটকরা স্বাভাবিকভাবে খাবার খেতে এবং চলাফেরা করতে পারেন।
নিরাপত্তা ও টিকিটের মূল্য ২০২৬ সালে মহাকাশ ভ্রমণের টিকিটের দাম গত বছরের তুলনায় ৪০ শতাংশ কমেছে। বর্তমানে ১০ দিনের একটি ‘অরবিটাল প্যাকেজ’-এর মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০ হাজার ডলারে।
যদিও এটি সাধারণের জন্য অনেক ব্যয়বহুল, তবে ডিমান্ড এত বেশি যে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সব বুকিং পূর্ণ হয়ে গেছে। নাসা (NASA) এই হোটেলের নিরাপত্তা ও অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেমের মান নিয়ন্ত্রণ করছে।
পরিবেশগত প্রভাব: ২০২৬ সালে পরিবেশবাদীরা রকেট উৎক্ষেপণের কার্বন নিঃসরণ নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, স্পেসএক্স দাবি করেছে যে তারা ‘লিকুইড মিথেন’ ব্যবহার করছে যা বায়ুমণ্ডলের কোনো ক্ষতি করে না। ২০২৬ সাল আমাদের মহাকাশ যুগের এক নতুন নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করছে।
