গাজীপুর, শ্রীপুর এবং টাঙ্গাইলের ভাওয়াল ও মধুপুর গড়ের হাজার হাজার একর সংরক্ষিত শালবন প্রভাবশালীরা দখল করে রিসোর্ট ও কারখানা তৈরি করেছিল।
নতুন সরকার বনজ সম্পদ রক্ষায় এক অভূতপূর্ব উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে, যার মাধ্যমে বনবিভাগের বেদখল হওয়া অমূল্য বনভূমি পুনরায় রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আসছে।
উদ্ধার ও বনায়ন:
- রিসোর্ট উচ্ছেদ: বনভূমির ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও রিসোর্টগুলো বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
- নেটিভ স্পিসিজ রোপণ: উদ্ধারকৃত জমিতে ইউক্যালিপটাস বা আকাশমণির মতো ক্ষতিকর গাছের পরিবর্তে শাল, গজারির মতো স্থানীয় জাতের (Native Species) গাছ রোপণ করা হচ্ছে, যা বন্যপ্রাণীদের ফিরে আসতে সাহায্য করছে।
বনভূমির এই পুনরুদ্ধার বাংলাদেশের কার্বন সিঙ্ক (Carbon Sink) বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে। জবরদখলকারীদের হাত থেকে বন রক্ষায় সরকারের এই সাহসিকতা সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
