দীর্ঘ চার বছরের আলোচনার পর ২০২৬ সালে কার্যকর হলো ‘গ্লোবাল প্লাস্টিক ট্রিটি’। এই চুক্তির অধীনে ১৪০টি দেশ নতুন বা ‘ভার্জিন প্লাস্টিক’ উৎপাদন ধাপে ধাপে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
সার্কুলার ইকোনমি: চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে প্রতিটি প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে তাদের পণ্যের পুনর্ব্যবহার বা রিসাইক্লিং নিশ্চিত করতে হবে। একে বলা হচ্ছে ‘এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপন্সিবিলিটি’ (EPR)।
এর ফলে বিশ্বজুড়ে কেমিক্যাল রিসাইক্লিং শিল্পের প্রসার ঘটছে, যেখানে প্লাস্টিককে পুনরায় জ্বালানি বা কাঁচামালে রূপান্তর করা হয়।
সমুদ্র সুরক্ষা: বিজ্ঞানীদের মতে, এই চুক্তি সঠিকভাবে পালিত হলে ২০৪০ সালের মধ্যে সমুদ্রে প্লাস্টিক পড়ার হার ৮০% কমিয়ে আনা সম্ভব।
২০২৬ সালে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে প্রথমবারের মতো প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমতে দেখা গেছে।
