২০২৬ সালের সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক সংবাদটি এসেছে ফ্রান্সের আইটিইআর (ITER) প্রকল্প থেকে। বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো ‘নিউক্লিয়ার ফিউশন’ প্রক্রিয়ায় প্লাজমা অবস্থাকে এক ঘণ্টার বেশি স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
অসীম জ্বালানি: ফিউশন হলো সেই প্রক্রিয়া যা সূর্যকে শক্তি দেয়। এতে কোনো কার্বন নিঃসরণ নেই, কোনো দীর্ঘমেয়াদী তেজস্ক্রিয় বর্জ্য নেই এবং এটি চিরস্থায়ী। ২০২৬ সালের এই সাফল্য প্রমাণ করছে যে ২০৩০ সালের মধ্যেই আমরা ফিউশন থেকে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ পেতে পারি।
জীবাশ্ম জ্বালানির অন্তিমকাল: ফিউশন প্রযুক্তি সফল হওয়া মানে হলো কয়লা, গ্যাস এমনকি ফিশন-ভিত্তিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আর প্রয়োজন থাকবে না। ২০২৬ সালের এই দিনটিকে মানব সভ্যতার ‘জ্বালানি স্বাধীনতার দিন’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন অনেক বিজ্ঞানী।
