পলিথিনের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমদ খানের উদ্ভাবিত পাটের তৈরি ‘সোনালী ব্যাগ’ (Sonali Bag) বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করলেও এর উৎপাদন ছিল সীমিত।
তবে আনন্দের খবর হলো, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে সোনালী ব্যাগের বাণিজ্যিক উৎপাদন এখন বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গবেষণা ও পরিবেশগত সুবিধা: সোনালী ব্যাগ দেখতে সম্পূর্ণ পলিথিনের মতো হলেও এটি শতভাগ পরিবেশবান্ধব।
- বায়োডিগ্রেডেবল: এটি মাটিতে ফেললে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে পচে সারে পরিণত হয়। পানিতে ফেললেও এটি গলে যায়, ফলে ড্রেন বা নদী ভরাট হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই।
- অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: সারা বিশ্বে এখন সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক নিষিদ্ধ হচ্ছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ যদি সোনালী ব্যাগ ব্যাপকভাবে রপ্তানি করতে পারে, তবে এটি দেশের অর্থনীতি ও বৈশ্বিক পরিবেশ—উভয় ক্ষেত্রেই বিপ্লব ঘটাবে।
প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সোনালী ব্যাগ বাংলাদেশের এক অনবদ্য বৈজ্ঞানিক উপহার। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়িয়ে এটি দ্রুত সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে নিয়ে আসতে হবে।
