বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পাচার হওয়া স্তন্যপায়ী প্রাণী হলো ‘প্যাঙ্গোলিন’ (Pangolin) বা বনরুই। এর মাংস এবং আঁশ (Scale) ঐতিহ্যবাহী ওষুধের জন্য এশিয়ায়, বিশেষ করে চীনে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিরা সাধারণ রুট বাদ দিয়ে ‘ডার্ক ওয়েব’ এবং এনক্রিপ্টেড সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ ব্যবহার করে এই পরিবেশগত অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে, যা ইন্টারপোলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাইবার ক্রাইম ও বন্যপ্রাণী পাচার:
- ডিজিটাল পাচার: পাচারকারীরা এখন আর সরাসরি বাজারে প্রাণী বিক্রি করে না। ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে ডার্ক ওয়েবে লেনদেন হচ্ছে এবং সাধারণ কার্গোর আড়ালে বনরুইয়ের আঁশ পাচার হচ্ছে।
- বিলুপ্তির ঝুঁকি: বনরুই প্রাকৃতিক পেস্ট কন্ট্রোলার হিসেবে কাজ করে। এভাবে পাচার অব্যাহত থাকলে আগামী এক দশকের মধ্যে এরা পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে।
সাইবার স্পেসে বন্যপ্রাণী পাচার রোধে আন্তর্জাতিক সাইবার সিকিউরিটি সংস্থাগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে। বন্যপ্রাণী পাচার কেবল একটি দেশের সমস্যা নয়, এটি গ্লোবাল ইকোলজিক্যাল ক্রাইম।
