জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে (খুলনা, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী) কৃষিজমিতে লবণাক্ততা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। হাজার হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি পড়ে থাকছে।
এই চরম পরিবেশগত সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) উদ্ভাবিত লবণাক্ততা-সহনশীল ‘বঙ্গবন্ধু ধান ১০০’ এবং ‘ব্রি ধান ৯৭’ জাতের ধান উপকূলীয় কৃষিতে এক নতুন বিপ্লবের জন্ম দিয়েছে।
প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও কৃষকের ঘুরে দাঁড়ানো: সাধারণ ধানের জাতগুলো লবণাক্ত পানিতে টিকতে পারে না।
- সহনশীলতা: নতুন উদ্ভাবিত এই জাতগুলো উচ্চ মাত্রার লবণাক্ততা (৮-১০ ডিএস/মিটার) সহ্য করে দারুণ ফলন দিতে সক্ষম।
- খাদ্য নিরাপত্তা: যে জমিতে গত দশ বছর ধরে কোনো ফসল হয়নি, সেখানে এখন এই নতুন জাতের ধান চাষ করে কৃষকরা হেক্টর প্রতি দারুণ ফলন পাচ্ছেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের এই গবেষণা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় এক বিশাল মাইলফলক। লবণাক্ততা-সহনশীল এই জাতগুলো উপকূলের কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে জাদুর মতো কাজ করছে।
