২০২৬ সালে ‘কার্বন’ এখন কেবল একটি গ্যাস নয়, এটি একটি বৈশ্বিক মুদ্রা। আইসল্যান্ডের রেইকিয়াভিকে যখন বিশ্বের বৃহত্তম কার্বন ক্যাপচার প্ল্যান্ট ‘ম্যামথ-২’ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করল, তখন এক নতুন শিল্পের জন্ম হলো। একে বলা হচ্ছে ‘রিভার্স মাইনিং’।
ব্যবসায়িক মডেল: সাধারণত খনি থেকে সম্পদ আহরণ করা হয়। কিন্তু কার্বন ক্যাপচার প্রযুক্তিতে বাতাস থেকে ক্ষতিকর $CO_2$ তুলে নিয়ে মাটির গভীরে পাথর করে ফেলা হয়। ২০২৬ সালে এক টন কার্বন বাতাস থেকে সরানোর বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৮০ ডলার। মাইক্রোসফট, অ্যাপল এবং টেসলার মতো কোম্পানিগুলো তাদের পরিবেশগত দায়বদ্ধতা মেটাতে শত শত কোটি ডলার খরচ করে এই ‘কার্বন ক্রেডিট’ কিনছে।
আমাদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কীভাবে এই ব্যবসাটি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বন রক্ষার বিকল্প আয়ের পথ খুলে দিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে কঙ্গো—সবখানে এখন বনায়ন কেবল পরিবেশের জন্য নয়, বরং ‘কার্বন মানি’ পাওয়ার অন্যতম উৎস। তবে এই শিল্পের নেতিবাচক দিকও আছে। কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, এটি ধনী দেশগুলোকে দূষণ করার লাইসেন্স দিচ্ছে। কার্বন ট্রেডিং কি সত্যিই পৃথিবীকে বাঁচাবে নাকি এটি কেবল একটি ‘গ্রিনওয়াশিং’ টুল? এই ফিচারে তা বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
