বিজ্ঞানীরা আগে ধারণা করেছিলেন যে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বাস্তবে আসতে আরও ১০ বছর লাগবে। কিন্তু ২০২৬ সালে গুগলের ‘উইলো’ (Willow) চিপ এবং আইবিএম-এর ১০০০ কিউবিট প্রসেসর সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি প্রথমবারের মতো ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি রাজস্ব আয় করেছে।
অনুসন্ধান: এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? কোয়ান্টাম কম্পিউটার জটিল সব গাণিতিক সমস্যা কয়েক সেকেন্ডে সমাধান করতে পারে যা সাধারণ সুপার কম্পিউটারের হাজার বছর লাগত। ২০২৬ সালে ওষুধ আবিষ্কার, সাইবার নিরাপত্তা এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই কম্পিউটারগুলো ব্যবহার করা শুরু হয়েছে।
ঝুঁকি ও সম্ভাবনা: তবে সাইবার বিশেষজ্ঞরা ভয় পাচ্ছেন যে, ২০২৬ সালের এই শক্তিশালী কম্পিউটারগুলো বর্তমানে পৃথিবীর সব পাসওয়ার্ড এবং এনক্রিপশন মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে ফেলতে পারে। তাই ২০২৬ সালে ‘কোয়ান্টাম সেফ এনক্রিপশন’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে এক নতুন যুদ্ধ শুরু হয়েছে।
