পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় পাহাড় কাটা এবং বন উজাড় রোধে ২০২৬ সালে এক অনন্য পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে। এখানে পাহাড়ের আদিবাসীদের যুগযুগান্তরের বন সংরক্ষণ পদ্ধতিকে যুক্ত করা হয়েছে ‘স্যাটেলাইট ইমেজিং’ এবং মোবাইল অ্যাপের সাথে। প্রকল্পের নাম ‘পাহাড়ের চোখ’।
আদিবাসী ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন: পার্বত্য অঞ্চলের তরুণরা এখন হাতে থাকা বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে বনের প্রতিটি বড় গাছের ডাটাবেস তৈরি করছে। যদি কোনো এলাকায় অবৈধ গাছ কাটা শুরু হয়, স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া সতর্কবার্তা সাথে সাথে স্থানীয় হেডম্যান এবং বন বিভাগের কাছে পৌঁছে যায়। ২০২৫ সালে এই সিস্টেম চালু হওয়ার পর পার্বত্য অঞ্চলে বন ধ্বংসের হার ৬৫% কমেছে।
ওষুধি গাছের সংরক্ষণ: এই ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে পাহাড়ের বিলুপ্তপ্রায় অনেক ওষুধি গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে। ২০২৬ সালে এসব ভেষজ উদ্ভিদ নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কেন্দ্র রাঙামাটিতে স্থাপিত হয়েছে। পাহাড়ের মানুষ এখন বন রক্ষার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে, যা শান্তি ও পরিবেশ—উভয়কেই রক্ষা করছে।
