জাতীয় জলবায়ু পরিকল্পনা, কার্বন মার্কেট এবং সবুজ অর্থায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের জলবায়ু সহনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে তুলতে ঢাকায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক উচ্চপর্যায়ের জলবায়ু সম্মেলন।
৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (BCDP) নলেজ কনফারেন্স ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
দেশের পরিবেশ খাতকে শক্তিশালী করতে এই সম্মেলনে নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক অংশীদাররা একত্রিত হয়েছেন।
সম্মেলনের মূল এজেন্ডা ও অংশীদারিত্বের রূপরেখা: পরিবেশ মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সম্মেলনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে:
- জাতীয় অভিযোজন ও এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়ন: সম্মেলনে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP) এবং জাতীয় নির্ধারিত অবদান বা ‘এনডিসি ৩.০’ (NDC 3.0)-এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেসরকারি খাত, একাডেমিয়া ও সুশীল সমাজের সম্মিলিত অবদানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু তহবিলের অর্থ ছাড়ের দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে।
- কার্বন মার্কেট ও শক্তির স্থায়িত্ব: দেশের জ্বালানি খাতকে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরিয়ে সবুজ ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে রূপান্তর করতে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা আকর্ষণের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।
উপসংহার ও গ্রিনপেজ দৃষ্টিভঙ্গি: জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় কেবল অভ্যন্তরীণ অর্থায়ন যথেষ্ট নয়; এর জন্য প্রয়োজন কার্যকর বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব।
গ্রিনপেজ বিশ্বাস করে, বিসিডিপি কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট জ্ঞান ও আর্থিক প্রতিশ্রতিগুলো মাঠপর্যায়ে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা গেলে বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুকি মোকাবিলা আরও অনেক বেশি সহজ হবে।
