বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি এবং সোলার প্যানেল তৈরির জন্য কোবাল্ট, নিকেল এবং ম্যাঙ্গানিজের চাহিদা আকাশচুম্বী। এই খনিজগুলো সংগ্রহের জন্য উন্নত দেশগুলো এখন প্রশান্ত মহাসাগরের হাজার ফুট গভীরে ‘ডিপ-সি মাইনিং’ বা গভীর সমুদ্রে খনিজ উত্তোলনের দিকে ঝুঁকছে।
কিন্তু পরিবেশবাদীরা এটিকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় ‘পরিবেশগত হুমকি’ (Environmental Problem) হিসেবে আখ্যা দিয়ে এটি নিষিদ্ধের দাবিতে আন্তর্জাতিক আদালতে জোরালো লড়াই শুরু করেছেন।
পরিবেশগত ঝুঁকি ও ধ্বংসযজ্ঞ: সমুদ্রের তলদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন এবং অপরিবর্তিত ইকোসিস্টেম।
- জীববৈচিত্র্য ধ্বংস: বিশাল মাইনিং রোবট যখন সমুদ্রের তলদেশ খুঁড়বে, তখন সেখানকার স্পঞ্জ, কোরাল এবং অজানা হাজারো সামুদ্রিক প্রাণী চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
- কার্বন নিঃসরণ: সমুদ্রের তলদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কার্বন সিঙ্ক। মাইনিংয়ের ফলে তলদেশের কাদা আলোড়িত হয়ে হাজার বছর ধরে জমা থাকা কার্বন ডাই-অক্সাইড மீண்டும் পানিতে মিশে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বাড়াবে।
গ্রিন এনার্জির নামে গভীর সমুদ্রকে ধ্বংস করার এই উদ্যোগ চরম আত্মঘাতী। খনিজ উত্তোলনের বদলে ব্যাটারি রিসাইক্লিংয়ের ওপর বেশি জোর দেওয়া উচিত।
