ব্রাজিলের আমাজন রেইনফরেস্টের যে বিশাল অংশ দাবানল এবং অবৈধ কাঠুরেদের কারণে ধ্বংস হয়েছে, তা সনাতন পদ্ধতিতে পুনরায় বনায়ন করতে শত শত বছর লেগে যাবে।
এই সমস্যার সমাধানে পরিবেশবাদীরা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত অত্যাধুনিক ‘অ্যাগ্রিকালচারাল ড্রোন’ ব্যবহার শুরু করেছেন, যা বনায়নের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
প্রযুক্তির কার্যকারিতা:
- সিড বল (Seed Ball): এই ড্রোনগুলো মাটি, পুষ্টি উপাদান এবং বীজ দিয়ে তৈরি বিশেষ ‘সিড বল’ বহন করে।
- এআই স্ক্যানিং: ড্রোনগুলো প্রথমে ধ্বংসপ্রাপ্ত বনের ওপর দিয়ে উড়ে মাটির আর্দ্রতা এবং উপযুক্ত স্থান স্ক্যান করে। এরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক জায়গায় সেকেন্ডে কয়েকটি করে সিড বল মাটিতে নিক্ষেপ করে।
- গতি ও দক্ষতা: একটি ড্রোন দিনে প্রায় এক লাখ বীজ রোপণ করতে পারে, যা মানুষের পক্ষে অসম্ভব।
প্রযুক্তি যেমন বন ধ্বংসের হাতিয়ার হয়েছে, তেমনি এআই ড্রোন প্রযুক্তি এখন বন পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় আশা। এই প্রযুক্তির বৈশ্বিক সম্প্রসারণ বন উজাড়ের বিরুদ্ধে লড়াইকে সহজ করবে।
