২০২৫ সালে বাংলাদেশ পলিথিন নিষিদ্ধ করার পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জমা হওয়া কোটি কোটি টন প্লাস্টিক বর্জ্য। ২০২৬ সালের শুরুতে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় দেশের প্রথম ‘প্লাস্টিক-টু-ফুয়েল’ বাণিজ্যিক প্ল্যান্টটি পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ শুরু করেছে।
প্রতিবেদনের মূল অংশ: এই প্রযুক্তিতে ‘পাইরোলাইসিস’ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনহীন পরিবেশে প্লাস্টিক পুড়িয়ে উচ্চমানের ডিজেল ও জেট-ফুয়েল তৈরি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) গবেষণায় দেখা গেছে, এই জ্বালানি সাধারণ ডিজেলের চেয়ে ১০% বেশি সাশ্রয়ী এবং এর কার্বন নিঃসরণ অনেক কম। ২০২৬ সালের এই মডেলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সিটি কর্পোরেশন প্রতিদিন প্রায় ৫০০ টন বর্জ্য এই প্ল্যান্টে সরবরাহ করছে।
কেন এটি ইউনিক? এটি কেবল বর্জ্য কমায় না, বরং বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা ৩% কমিয়ে আনার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এই প্রকল্পের বিস্তারিত অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ এবং পরিবেশগত ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট নিয়ে এটি ১০০০ শব্দের একটি পূর্ণাঙ্গ ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট হতে পারে।
