আগামী নভেম্বর ২০২৬-এ তুরস্কের আন্তালিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতিসংঘের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন সিওপি৩১ (COP31)-কে সামনে রেখে বাংলাদেশ নিজের কৌশলগত এজেন্ডা ঘোষণা করেছে।
১৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক সরকারি ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিশ্বমঞ্চে ‘জলবায়ু ন্যায়বিচার’ (Climate Justice) ও ক্ষয়ক্ষতি (Loss and Damage) তহবিলের অর্থ আদায়ে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও পচনশীল প্রাকৃতিক তন্তু হিসেবে ‘গোল্ডেন ফাইবার’ বা পাটের বহুমুখী সম্ভাবনা প্রদর্শন করবে বাংলাদেশ।
বৈশ্বিক মঞ্চে মূল এজেন্ডা ও কৌশল: আন্তর্জাতিক দরকষাকষিতে বাংলাদেশ যেসব সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরবে:
- প্লাস্টিকের বিকল্প ও পলিথিনমুক্ত বিশ্ব: বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিক দূষণ রোধে পাট দিয়ে তৈরি বায়ো-ডিগ্রেডেবল পণ্য ও ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে উন্নত দেশগুলোর সাথে অংশীদারিত্ব গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হবে।
- পূর্বাভাসযোগ্য জলবায়ু অর্থায়ন: সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছাড়া আশ্বাস না দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP) বাস্তবায়নে পূর্ব-নির্ধারিত ও সহজ শর্তে জলবায়ু তহবিল নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হবে।
উপসংহার ও গ্রিনপেজ দৃষ্টিভঙ্গি: জলবায়ু সম্মেলনে কেবল অনুদানের দাবিদার হিসেবে নয়, বরং প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলার বৈশ্বিক সমাধান হিসেবে পাটের ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক দরবারে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
গ্রিনপেজ মনে করে, এই নীতিগত অবস্থান আন্তালিয়া সম্মেলনে বাংলাদেশকে জলবায়ু কূটনীতিতে অগ্রণী ভূমিকা পালনে সহায়তা করবে।
