কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ এবং এর আশেপাশের পাহাড়ি অঞ্চলে অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও অবৈধ দখলদারিত্বের কারণে এক ভয়াবহ ‘পরিবেশগত অপরাধ’ সংঘটিত হচ্ছে।
পাহাড় কেটে রিসোর্ট ও বসতি স্থাপনের কারণে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী এশিয়ান হাতির (Asian Elephant) প্রাকৃতিক আবাসস্থল এবং চলাচলের করিডোরগুলো সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
অপরাধের ভয়াবহতা ও হাতির সংকট: হাতি পরিযায়ী স্বভাবের প্রাণী, যারা বংশপরম্পরায় নির্দিষ্ট পথ বা ‘এলিফ্যান্ট করিডোর’ ধরে চলাচল করে।
- করিডোর ধ্বংস: অবৈধভাবে পাহাড় কাটা এবং বন উজাড়ের ফলে এই করিডোরগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে হাতিরা লোকালয়ে প্রবেশ করতে বাধ্য হচ্ছে।
- মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব: খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে আসা হাতিগুলোর সাথে স্থানীয় মানুষের সংঘাত বাড়ছে। বিদ্যুতের ফাঁদ পেতে এবং গুলি করে নির্মমভাবে হাতি হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ বেড়েই চলেছে।
হাতি হলো বনের ‘ইঞ্জিনিয়ার’। হাতি বিলুপ্ত হলে বনের ইকোসিস্টেম ভেঙে পড়বে। পাহাড় খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং হাতির করিডোরগুলো অবিলম্বে সংরক্ষণের আওতায় আনা না হলে আগামী এক দশকের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে বন্য হাতি চিরতরে হারিয়ে যাবে।
